✅পাসপোর্ট + এনআইডি/জন্ম নিবন্ধন।
✅সর্বশেষ ভারতীয় ভিসার কপি (যদি আগে ভিসা থাকেন)।
✅ছবি ২/২- ১ কপি।
✅ ইনভাইটেশন ও ডক্টর এপয়নমেন্ট (ভ্রমণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী)।
✅বাংলাদেশী ডাক্তার এর পেসক্রাইড ও মেডিকেলের পরীক্ষার রিপোর্ট ।
✅নিজ নামে রেজিষ্ট্রেশন করা সিমকার্ড।
✅ব্যাংক স্টেটমেন্ট: ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (লেনদেনসহ)।
✅ভিজিটিং কার্ড (যদি থাকে)।
✅অফিস আইডি কার্ড (যদি চাকরি করেন)
✔️বিদ্যুৎ বিলের কাগজ।
✔️ট্রেড লাইসেন্স বা এন ও সি।(যদি থাকে)
✔️ইমেইল এড্রেস , ফোন নাম্বার (আবেদনে লিখতে হবে!
১. মূল পাসপোর্ট (Original Passport):
ন্যূনতম ৬ মাস থেকে ৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে।
কমপক্ষে দুইটি খালি ভিসা পৃষ্ঠা (Blank Visa Pages) থাকতে হবে
পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে তাও জমা দিতে হবে (যদি থাকে)।
২. ভিসা আবেদন ফর্ম (Online Application Form):
ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের (IVAC) ওয়েবসাইট থেকে ফর্মটি পূরণ করে প্রিন্ট নিতে হবে এবং আবেদনকারীর স্বাক্ষর থাকতে হবে।
৩. ছবি (Photographs):
দুই কপি সাম্প্রতিক তোলা রঙিন ছবি।
সাইজ: ২x২ ইঞ্চি (৫১ মিমি x ৫১ মিমি)
ব্যাকগ্রাউন্ড: সাদা (White Background)।
৪. আমন্ত্রণ পত্র (Invitation Letter):
ভারত থেকে: ভারতের যে কোম্পানির সাথে ব্যবসা করছেন, তাদের কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র (কোম্পানির লেটারহেড প্যাডে ও সিলমোহরযুক্ত)
বাংলাদেশ থেকে: আপনার কোম্পানির কাছ থেকে একটি রেকমেন্ডেশন লেটার বা স্পন্সরশিপ লেটার (কোম্পানির প্যাডে)
৫. ব্যবসায়িক প্রমাণপত্র (Business Documents):
বাংলাদেশের কোম্পানি: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, মেমোরেন্ডাম অফ আর্টিকেল (লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে), ভিজিটিং কার্ড
ভারতের কোম্পানি: আমন্ত্রণকারী ভারতীয় কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন বা ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট (Certificate of Incorporation)
ইমপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (IRC/ERC) যদি প্রযোজ্য হয়
৬. আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ (Financial Proof):
গত ৩ বা ৬ মাসের ব্যক্তিগত বা কোম্পানির ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
ডলার এনডোর্সমেন্ট বা ট্রাভেল কার্ড।
টি আই এন (TIN) সার্টিফিকেট ও আয়কর রিটার্ন দাখিলের কপি (অবশ্যই)
৭. অন্যান্য কাগজপত্র:
ন্যাশনাল আইডি কার্ড (NID) বা জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি।
ইউটিলিটি বিলের কপি (বাসা বা অফিসের ঠিকানা প্রমাণের জন্য)
ভিসা ইনভাইটেশন লেটার ইস্যু করার জন্য নিচের তথ্য পাঠান:
রোগীর তথ্য
➡️ রোগীর যোগাযোগ নম্বর:
➡️ রোগীর ইমেইল ঠিকানা:
➡️ রোগীর বর্তমান ঠিকানা:
➡️ রোগীর ইউটিলিটি বিলের কপি (হাসপাতাল এটি আপনার ঠিকানা যাচাই করার জন্যব্যবহার করবে এবং সেই ঠিকানাটি আয়ুষ/মেডিকেল ভিসা লেটারে অন্তর্ভুক্ত থাকবে)
অ্যাটেন্ডারের তথ্য
➡️ অ্যাটেন্ডার এর নাম
➡️ অ্যাটেন্ডার এর বর্তমান ঠিকানা
➡️ রোগীর সঙ্গে অ্যাটেন্ডারের সম্পর্ক:
নিকটস্থ ভারতীয় হাইকমিশন
➡️ নিকটস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের বিস্তারিত (অবস্থান/ঠিকানা):
ভারতীয় হাসপাতালের তথ্য
➡️ ভারতীয় হাসপাতালের নাম:
➡️ চিকিৎসার বিভাগ :
➡️ ডাক্তার: হাসপাতাল আপনার মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী সিনিয়র ডাক্তার নির্বাচন করবে, যদি আপনার নির্দিষ্ট ডাক্তার পছন্দ না থাকে।
➡️ হাসপাতালে পৌঁছানোর তারিখ :
আপনি আমাকে WhatsApp এ এই ডকুমেন্টগুলো পাঠাতে পারেন।
⚠️গুরুত্বপূর্ণ⚠️
ভিসা ইনভাইটেশন লেটার হাসপাতাল থেকে ইস্যু হওয়ার পর আর কোন পরিবর্তন/সংশোধন করা সম্ভব হবে না।
হাসপাতালকে ভারতীয় সরকারের AYUSH ওয়েবসাইটে আপনার তথ্য আপলোড করতে হবে ভিসা ইনভাইটেশন লেটার তৈরি করার জন্য। একবার তৈরি হলে, AYUSH ওয়েবসাইট আর হাসপাতালকে আরেকটি লেটার ইস্যু করার অনুমতি দেয় না।
দয়া করে নিশ্চিত করুন যে আপনি সঠিক তথ্য প্রদান করছেন। তাই রোগী, অ্যাটেন্ডার, IVAC, তারিখের এক্সটেনশন ইত্যাদির সঠিক তথ্য আমাদের দেবেন।